মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জন

  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ই-নথির সাপ্তাহিক কার্যক্রম রিপোর্টে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জয়পুরহাট অবস্থান প্রায়ই উপরের দিকে থাকে।
  • নথি খোলা ও পত্র জারীর হার বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত  রয়েছে। এতে সেবা প্রদান সহজ হয়েছে।
  • জেলার প্রতিটি উপজেলায় অনুকরণীয় বিদ্যালয়(making excellent school ) স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
  • প্রত্যেক কর্মকর্তা ০১ টি করে বিদ্যালয় উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন এবং তাঁর বিদ্যালয়টিকে অনুকরণীয় বিদালয়ে রূপান্তর করবেন।
  • উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়সমূহ অনুকরণীয় বিদ্যালয়টি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজ বিদ্যালয় উন্নয়নে কাজ করবেন।
  • যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শ্রেণিকক্ষ সমূহকে শিশু বান্ধব (Child friendly Classroom ) করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
  • শিশু বান্ধব শ্রেণিকক্ষ তৈরির লক্ষ্যে শ্রেণিকক্ষসমূহ সুসজ্জিত করা হচ্ছে, ডিজিটাল ক্লাসরুমে রূপান্তর করা হচ্ছে।
  • এ জেলার কিছু সপ্রাবি স্বল্প পরিসরে পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমত  বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে ফলে তাদের পড়ার দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর সপ্রাবি এ সিসি ক্যামেরা এবং অডিও সাউন্ড সিস্টেম বসান হয়েছে যার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক তাঁর অফিস কক্ষে বসে শ্রেণি কার্যক্রম মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে পারেন।
 

প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে বর্তমান সরকার সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে কাজকরে যাচ্ছে।শিক্ষক:শিক্ষার্থী এবং শিক্ষার্থী:শ্রেণিকক্ষের অনুপাত হ্রাসকরণের লক্ষ্যে এ জেলায় নতুন শিক্ষকের পদসৃষ্টিসহ   ৪৬৯ জন শিক্ষকের নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুকরা হয়েছে। বাস্তব চাহিদার আলোকে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১টি করে ২৫৮ টি দপ্তরি কাম প্রহরী পদ সৃজন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ৪০৩ নলকূপ স্থাপনসহ ৮৫টি ওয়াশব্লক নির্মাণ করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৮ সালে বিনামূল্যের মোট ৪৫৭৭০৬ খানা বই বিতরণ করা হয়েছে। তাছাড়া, ঝরেপড়া রোধসহ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের লক্ষ্যে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় ৬৩২৮৭ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। ৩৭১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিলগঠন করা হয়েছে। ২০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিখবে প্রতিটি শিশু (ইসিএল) এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিকেন্দ্রীকরণের ৩৭১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান (SLIP)’ বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় প্রতি বাৎসরিক ৪০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিতভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। ২০১২ সাল হতে  বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালিত হয়ে আসছে। একই সাথে জেলায় সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নিয়মিতভাবে আন্ত:প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter